তিনদিনে ঢাবির তিন বিদ্যার্থীর প্রয়াণ

মৃত্যুর মিছিল যেনো অবিরাম বেড়েই চলেছে। মেধাবী শিক্ষার্থীরা যুক্ত হচ্ছে এই কাতারে। মানসিক স্বাস্থ্যের পরিচর্যায় নেই উপযুক্ত উদ্যোগ।

গত তিনদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজন মানসিক বিষন্নতায় আত্মহত্যা করেছেন। বাকি একজন সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছে।

 

সর্বশেষ বুধবার (১ জুন) বিকাল ৫টায় রাজধানীর আদাবর এলাকার জাপান গার্ডেন সিটির ১৬ তলা ভবন থেকে পড়ে জাইনা হাবীব প্রাপ্তি নামে একজন আত্মহত্যা করেছেন।

তিনি ঢাবির হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। জাপান গার্ডেন সিটির ১৬ নম্বর ভবনের ১০২ নম্বর ফ্ল্যাটে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী সদরে। এখন পর্যন্ত জানা যায় মানসিক বিষন্নতায় সে আত্মহত্যা করেছে। তিনি একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ছিলেন। তার বিজনেস পেইজ “কারুকার্য” ঢাবি ভিত্তিক ব্যবসায়িক প্লাটফর্ম “DBC” তে বেশ জনপ্রিয় ছিলো। 

এর আগে গত রবিবার (২৯ মে) ঢাবির এক সাবেক শিক্ষার্থী বিষন্নতায় পড়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। আত্মহত্যাকারী ওই শিক্ষার্থীর নাম মেহেদী হাসান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ফিন্যান্স বিভাগের ১৯ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়। মেহেদী বর্তমানে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এদিকে, গত রবিবার (২৯ মে) ঢাবির আরেক শিক্ষার্থী ফুটবল খেলার পর পুকুরে সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা যান।

পানিতে ডুবে মারা যাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম পলাশ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলায়।