আজ থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে উচ্চমাধ্যমিকে(একাদশ) অনলাইনে ভর্তি প্রথম ধাপের আবেদন। মাধ্যমিকে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল শেষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অপেক্ষায় থাকা প্রায় ১৮ লাখ শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে আজ থেকে।
আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট তিন ধাপে সম্পন্ন হবে উচ্চমাধ্যমিকে আবেদন গ্রহণ ও মেধাতালিকা প্রকাশ। ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হবে ভর্তি কার্যক্রম।২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম।
এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ভর্তি ফি হিসাবে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে্র জন্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা এবং ননএমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বোচ্চ সাড়ে ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৭ ডিসেম্বর বুধবার ভর্তি সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা বোর্ড।
২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে দেশের যে কোনো শিক্ষাবোর্ড এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা পাস করা শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যান্য বছরে পাশ করা শিক্ষার্থীরাও ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। বিদেশি কোনো বোর্ড বা প্রতিষ্ঠা থেকে সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সনদের মান নির্ধারণের পর ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। টেলিটকের ওয়েবসাইটে www.xiclassadmission.gov.bd গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা যেকোনো (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায়) গ্রুপে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। মানবিক গ্রুপ থেকে মানবিক ও ব্যবসায় আবেদন করা যাবে। ব্যবসায় বিভাগ থেকেও এই দুই গ্রুপের একটিতে আবেদন করতে পারবে।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট শূন্য আসনের ৯৩ শতাংশ মেধা কোটা হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব শূন্য আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বাকি ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিনস্থ দপ্তর/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী সন্তানদের জন্য রাখা হয়েছে। এসব আসনে শিক্ষার্থী না থাকলে তা মেধা কোটায় বিবেচিত হবে।
আরও পড়ুন:আজ থেকে অনলাইনে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তির আবেদন শুরু
একাদশের ভর্তির ক্ষেত্রে সেশন চার্জ ও ভর্তি বাবদ এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটনে বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা, ইংরেজি ভার্সনে ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকার বেইরের মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ভার্সনে ৩ হাজার, ইংরেজিতে ৩ হাজার টাকা, জেলা শহরে বাংলায় ২ হাজার, ইংরেজিতে ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও উপজেলা/মফস্বল পর্যায়ে বাংলায় ১ হাজার ৫০০ ও ইংরেজিতে এক হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন ফি নেওয়া যাবে না।
ননএমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটনে বাংলা ভার্সনে ৭ হাজার ৫০০, ইংরেজি ভার্সনে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকার বাইরে মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলায় ৫ হাজার, ইংরেজিতে ৬ হাজার, জেলা শহরে ৩ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা ধরা হয়েছে। এছাড়াও উপজেলা/মফস্বলে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ফি আদায়ের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে রশিদ দিতে হবে। দরিদ্র, মেধাবী ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে উল্লেখিত সব ফি যতদূর সম্ভব মওকুফ করতে বলা হয়েছে।
একাদশ শ্রেণিতে সর্বোচ্চ ভর্তি ফি নির্ধারিত হয়েছে সাড়ে ৮ হাজার টাকা।কোন কলেজ যদি নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদাইয় করে তবে সংশ্লিষ্ট কলেজের বিরুদ্ধে কঠোর বেবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড।
একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে প্রথম ধাপে ভর্তির আবেদন চলবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর।ভর্তির দ্বিতীয় ধাপে অনলাইনে আবেদন করতে হবে ২০২৩ সালের ৯ ও ১০ জানুয়ারি এবং এই ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১২ জানুয়ারি।ভর্তির সর্বশেষ তৃতীয় ধাপের আবেদন করতে হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি ও ফলাফল প্রকাশ হবে আগামী ১৮ জানুয়ারি। আগামী ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারির মধ্যে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাপ্ত কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে উচ্চমাধ্যমিকের ক্লাস।






Users Today : 4
Users Last 30 days : 624
Total Users : 18982
Total views : 31083
Who's Online : 0