আজ ৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে অনলাইনে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তির প্রথম ধাপের আবেদন। আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট তিন ধাপে সম্পন্ন হবে আবেদন গ্রহণ ও মেধাতালিকা প্রকাশ। ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হবে ভর্তি কার্যক্রম।
২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে একাদশ শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম।
মাধ্যমিকে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল শেষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অপেক্ষায় প্রায় ১৮ লাখ শিক্ষার্থী। একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে প্রথম ধাপে ভর্তির আবেদন চলবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৩১ ডিসেম্বর।ভর্তির দ্বিতীয় ধাপে অনলাইনে আবেদন করতে হবে ২০২৩ সালের ৯ ও ১০ জানুয়ারি এবং এই ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ১২ জানুয়ারি।ভর্তির সর্বশেষ তৃতীয় ধাপের আবেদন করতে হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি ও ফলাফল প্রকাশ হবে আগামী ১৮ জানুয়ারি। আগামী ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারির মধ্যে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাপ্ত কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।ি২০২৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে উচ্চমাধ্যমিকের ক্লাস।
উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “একাদশ শ্রেণির ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। তিন ধাপে অনলাইন আবেদন গ্রহণ ও মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। তিন ধাপেও যদি কেউ ভর্তি থেকে বঞ্চিত থাকে তবে আরও একটি ধাপ বাড়ানো হবে। সারা দেশে পর্যাপ্ত শূন্য আসন আছে, তাই কেউ ভর্তি থেকে বঞ্চিত হবে না। এবার একজন ভর্তিচ্ছু ১৫০ টাকা ফি দিয়ে পছন্দ তালিকায় সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ নির্বাচন করতে পারবেন।“
একাদশ শ্রেণিতে সর্বোচ্চ ভর্তি ফি নির্ধারিত হয়েছে সাড়ে ৮ হাজার টাকা।কোন কলেজ যদি নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদাইয় করে তবে সংশ্লিষ্ট কলেজের বিরুদ্ধে কঠোর বেবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড।
আরও পড়ুনঃ উচ্চমাধ্যমিকে অনলাইনে যেভাবে ভর্তি আবেদন করবেন
বরাবরের মতো এসএসসিতে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতেই কলেজ পাবেন ভর্তিচ্ছুরা। তবে নটরডেম কলেজ, হলিক্রস কলেজ, সেন্ট জোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সেন্ট গ্রেগরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ অনলাইন পদ্ধতির বাইরে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে একাদশ শ্রেণীতে শিক্ষার্থী গ্রহন করবে।
শিক্ষাবোর্ড সুত্রে জানা যায়, সারা দেশে মোট ৯ হাজার ১৮১টি কলেজ ও মাদরাসায় একাদশ শ্রেণিতে পাঠদান করা হয়।এ ছাড়াও সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে ৫৬৫টি। ডিপ্লোমা ইন কমার্স প্রতিষ্ঠান ৭টি এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তি) পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান আছে প্রায় ১৮০০টি। কলেজ ও মাদরাসায় আসন আছে ২৪ লাখ ৪০ হাজার ২৪৯টি, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি পলিটেকনিকে আছে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার। এ ছাড়া কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পর্যায়ে প্রায় ৯ লাখ আসন রয়েছে। ফলে দেখা যাচ্ছে এ বছর পাস করা সব শিক্ষার্থী ভর্তির পরও আসন শূন্য থাকবে প্রায় ১৬ লাখ।






Users Today : 4
Users Last 30 days : 624
Total Users : 18982
Total views : 31083
Who's Online : 0