লাথি মেরে স্টাম্প ভাঙছেন, নিজ হাতে স্টাম্প উপড়ে ফেলছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসানের এসব ঘটনার ছবি, ভিডিও দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। প্রতিটি টুইট, রি-টুইট, শেয়ার আর পোস্টে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে। এত কিছুর পর সাকিবকে ৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জরিমানাও গুনতে হবে ৫ লাখ টাকা। এদিকে বিসিবিপ্রধান নাজমুল হাসান পুরো বিষয়টিকে দেখছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘চরম বেইজ্জতি’ হিসেবে।
আজ সাকিব-কাণ্ড নিয়ে এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নাজমুল হাসান বলছিলেন, ‘বিষয়টা আন্তর্জাতিকভাবে এত বেশি ছড়িয়ে পড়েছে, আমাকে এত দেশ থেকে ফোন করছে। আমি ভয়ে ফোন ধরছি না। বেইজ্জতির চরমে চলে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। আমার মনে হয় এই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার কোনো মানে হয় না। যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা এ সমস্যার সমাধান না বের করছি। এটা চরম জায়গায় নিয়ে গেছে। যা উঠেছিল, এমনেই শেষ করে দিয়েছে।’
সাকিবের ঘটনার সূত্রপাত যেখান থেকে, সেই ঘরোয়া ক্রিকেটের আম্পায়ারিং বিতর্কের সমাধান করতে চান নাজমুল হাসান। ঘরোয়া ক্রিকেটের পাতানো ম্যাচের বিষয়ও খতিয়ে দেখতে চান তিনি। দরকার হয় খেলা বন্ধ রাখবেন, তবু এর সমাধান চান তিনি, ‘এমন যদি হয়ে থাকে, তাহলে আমি তো ঘরোয়া ক্রিকেটই খেলাব না। যতক্ষণ না পর্যন্ত এর সমাধান হবে। যদি তাই হয়, তাহলে এই খেলার তো কোনো মানে নেই। যা শুনি, মানুষ যা বলে, যেই খেলায় আগে থেকেই সব ঠিক করা আছে। তাই যদি হয়, তাহলে এই খেলার তো কোনো মানে নেই। আগে খেলা বন্ধ করে সমস্যা সমাধান করা হোক। তা–ও আবার কোভিডের মধ্যে। এত টাকা খরচ করে! কমপক্ষে ১০ লাখ ডলার (৮ কোটি টাকার মতো) বাড়তি খরচ হচ্ছে এই জৈব সুরক্ষাবলয়ের জন্য।’
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দুর্নীতির সন্দেহ দূর করতে বিশেষ কমিটি গঠনের কথা আজ বিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তদন্ত কমিটির কাজটা যে কঠিন হবে, সেটাও জানা আছে নাজমুল হাসানের, ‘সমস্যা হচ্ছে ওরা আমাকে কিছু দেখাতে পারে না। কেউ তো কোনো অভিযোগ করে না। অভিযোগ না দিলে কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। তারপরও আমি বলেছি বিষয়গুলো রেকর্ড করতে। এমন তো নয় যে একজন বলে দিল আর শাস্তি দিয়ে দিলেই হলো। অবশ্যই আমরা এ ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেব।’







Users Today : 12
Users Last 30 days : 650
Total Users : 17598
Total views : 29479
Who's Online : 0