চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নে কদমরসুল এলাকায় বিএম ডিপোতে বেসরকারি কন্টেইনার ডিপোতে আগুনের পর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনো পর্যন্ত পাঁচ জন মারা গেছেন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এছাড়া অন্তত ৪ শতাধিক মানুষ দগ্ধ হয়েছেন।আহতরা চট্টগ্রাম মেডিকেলসহ শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া আহত বেশ কয়েকজনতে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ঢাকার সিএমএইচ ও শেষ হাসিনা বার্ন ইন্সটিউটে পাঠানো হয়েছে।

প্রতীকি ছবিআগুনের ভয়াবহতা এতোই তীব্র যে আশেপাশের এলাকার ভবনের জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৩ ইউনিট কাজ করছে। তবে এখনো পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের অন্তঃত ৪ জন কর্মী আহত এবং দগ্ধ হয়েছেন। এছাড়া একজন পুলিশ কনস্টেবলের পা বিচ্ছিন্নসহ অন্তত নয়জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
শনিবার(৪ জুন) রাতে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে কিছুই জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।তবে, রাসায়নিকের কন্টেইনার থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক নিউটন দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি আরও বলেন, বিএম কন্টেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সব ইউনিটে সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। আগুন নেভাতে আরও কয়েকটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকেও ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ইউনিট আনা হয়েছে।
এদিকে, সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক জানিয়েছেন, বিস্ফোরণে তাঁদের থানার কনস্টেবল তুহিনের এক পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আরও অন্তত পাঁচ কনস্টেবল, ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোতাহার হোসেন এবং শিল্প পুলিশের একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তবে কতজন হতাহত হয়েছেন সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না বলেও জানান তিনি। আহতদের হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে।
বিএম কন্টেইনারের ঐ ডিপোতে আমদানি ও রফতানির বিভিন্ন মালামালবাহী কন্টেইনার ছিল বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ডিপোর কন্টেইনারে রাসায়নিক ছিল, বিকট শব্দে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটে। দ্রুত চারিদিকে আগুন ছড়িয়ে যায়। অনেক আহত হয়েছেন।