এ সময় লাইভে থেকে সবাইকে আগুনের খবর দিচ্ছিলেন অলিউর রহমান। ভিডিওর চার মিনিটে এসে বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায় এবং ফোনটি পড়ে যাওয়ায় ভিত্তিও স্ক্রিন অন্ধকার হয়ে যায়। তারপর চারদিকের চিৎকার শোনা গেলেও অলিউর রহমান কোথায়, কী অবস্থায় আছেন, তা তৎক্ষণাৎ জানা যায়নি। খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না অলিউরকে। পরে তাঁর সহকর্মী রুয়েল জানান, লাইভ করতে করতেই মৃতু হয় অলিউর রহমানের।
রুয়েল বলেন, ‘যখন বিস্ফোরণ ঘটে, তখন রাতের খাবারের সময় ছিল। খাবারের জন্য ডিপো থেকে চলে আসি আমরা। কিন্তু, ফেসবুকে লাইভ করার জন্য অলিউর সেখানে থেকে যায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘অলিউর আর বেঁচে নেই। তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। এখন তার মরদেহ নেওয়ার জন্য স্বজনেরা চট্টগ্রাম যাচ্ছে।’
এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর মতে, নিহতের সংখ্যা ৪১। হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কান্নায় ভারী হচ্ছে চমেক।