প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত গ্রেফতার।

প্রেমের ফাঁদে ফেলে শেরপুরে এক কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রাইভেট শিক্ষকের বিরুদ্ধে।উক্ত ঘটনায় অভিযুক্ত সাজ্জাদুল ইসলাম সাজু (২৩) নামে ওই প্রাইভেট শিক্ষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরীকে প্রাইভেট পড়াতেন অভিযুক্ত সাজু।এর সুবাদে এক সময় সাজুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ওই কিশোরীর।প্রেমের সম্পর্কের এক পর্যায়ে ওই কিশোরীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে শেরপুর সদর উপজেলার একটি বাসায় নিয়ে সাজ্জাদুল তাকে ধর্ষণ করেন।এরপরে সাজ্জাদ অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করলে ওই কিশোরী তার অভিভাবকদের ধর্ষণের ঘটনাটি জানান।

কিশোরী তার অভিভাবকদের ঘটনাটি জনালে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সাজ্জাদুল ইসলাম সাজুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে শেরপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।মামলা দায়ের এর ঘটনার পর থেকে সাজু পলাতক ছিল।পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি সাহায্য নিয়ে ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

আরও পরুনঃবিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত গ্রেফতার।

গত ৬ ডিসেম্বর সোমবার রাতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকা থেকে সাজুকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় গত ৭ অক্টোবর শেরপুর সদর থানায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাজ্জাদুল ইসলাম সাজুর বিরুদ্ধে মামলা করে।

উক্ত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ০৭ ডিসেম্বর বিকেলে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্তকে সাজুকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুনঃডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ২৯ জন

অভিযুক্ত সাজ্জাদুল ইসলাম সাজু শেরপুর সদর উপজেলার বেতমারী পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম হাফিজুর রহমান ও মায়ের নাম ছাহেরা বেগম।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল সংবাদমাধ্যমকে বলেন,‘গ্রেফতার অভিযুক্ত সাজ্জাদুল ইসলাম সাজুকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।‘