রাঙ্গামাটিতে বিয়ের প্রলোভনে তরুনি ধর্ষণ, অভিযুক্ত যুবক আটক

রাঙ্গামাটিতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ২১ ডিসেম্বর বুধবার ধর্ষণের স্বীকার হয় ভুক্তভোগী তরুণী।পরে ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে লংগদু থানায় ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ পেয়ে  অভিযানে নেমে সন্ধ্যায় লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের শান্তিনগর থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া যুবকের নাম নাজমুল হোসেন রানা(২০)।তার পিতার নাম হারুন মিয়া। পেশায় সে একজন ট্রাক্টর হেলপার। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের দোষ স্বীকার করেছে গ্রেফতার হওয়া ঐ যুবক।

ভিকটিমের বাবার লংগদু থানায় অভিযোগ থেকে জানা যায়,আটক নাজমুল হোসেন রানা গত ২১ ডিসেম্বর বুধবার তার মেয়েকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যাইয়। অইদিন সন্ধ্যা থেকে মেয়েকে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির শুরু করে তারা। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের একটি আমবাগান থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে সবাই।পরে ভুক্তভোগী মেয়েটি পরিবারের সদস্যদের জানান তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

এরপর ভিকটিমের বাবা গতকাল ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রানার বিরুদ্ধে লংগদু থানায় ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে গুলশাখালি ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, আমার সাথে ভিকটিম তরুণীটির বাবার কথা হয়েছে।আমার কাছে অই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে তাকে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দিই।

এইদিকে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল উদ্দিন বলেন, ‘ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে নাজমুল হোসেন রানাকে আটক করি। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।’