মাদারীপুরে ইজিবাইক থেকে অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনা ঘতেছে।অভিযুক্ত দুই বখাটে যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ৩১ ডিসেম্বর শনিবার মাদারিপুর সদর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল ১ জানুয়ারি রোববার রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রীর বাবা রাজৈর থানায় বখাটে দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রাতেই পশ্চিম রাজৈরের নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্ত দুই বখাটে যুবককে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত দুই বখাটে হলএকই এলাকার শামীম ফকির (২৪)এবং ইয়াছিন বেপারী (১৯)।আটক শামিম পশ্চিম রাজৈর গ্রামের ইসকন ফকিরের ছেলে ও আটক ইয়াছিন একই গ্রামের পাট্টু বেপারীর ছেলে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রির বাবার করা মামলার এজাহারে সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মেয়েটি মাদারীপুর সদর উপজেলার শ্রীনদী এলাকার একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।গত কিছু দিন আগে তার স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ১৩ বছর বয়সী অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে শনিবার বিকেলে মিষ্টি নিয়ে ইজিবাইকে নিজ বাড়ি থেকে শাখারপাড় নানাবাড়িতে যাচ্ছিল।
পথিমধ্যে অপর একটি ইজিবাইক নিয়ে শামীম ও ইয়াছিন এসে ওই মেয়েটির ইজিবাইকের গতিরোধ করে দাড়ায়। পরে ইজিবাইক থেকে জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় পাশের কবিরাজপুরের একটি নির্জন স্থানে। এরপর ওই দুই বখাটে মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করে ওই ছাত্রীর।পরে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বখাটেরা তাকে রেখে পালিয়ে যায়। এদিকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্বজনরা এক ভ্যানচালকের সহযোগিতায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ ১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৬৫ টাকা
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবা গতকাল রাতে শামীম ফকির ও ইয়াছিন বেপারীকে আসামি করে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রাতেই অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।আটকের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাদারীপুরের রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানান, “স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় শামীমকে প্রধান আসামি ও ইয়াছিনকে সহযোগী হিসেবে মেয়েটির বাবা থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে দুজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তারা ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।“
